Skip to main content

শিক্ষা সমস্যা-১

  এইজন্য শিক্ষাপরিষদের প্রতিষ্ঠাতাগণ যখন উ্দ্যোগে প্রবৃত্ত আছেন তখন দেশের সর্বসাাধাারণ তরফ হইতে নিজের চিত্ত, নিজের অভাব, বুঝিবার জন্য একটা অালোচনা হওয়া উচিত৷
সেই আলোচনাকে জাগাইয়া তোলাই আমার এই রচনার প্রধান উদ্দেশ্য৷ এই উপলক্ষে-যে ভাবটি আমার মনের সম্মুখে জাগ্রত হইয়া উচিয়াছে তাহাকে দেশের দরবারে উপস্থিত করা আমার কর্তব্য৷ যদি শিক্ষিত সমাজের প্রচলিত সংস্কারের সঙ্গে ইহার বিরোধ বাধে তবে ইহা গ্রাহ্য হইবে না, জানি৷ যদি গ্রাহ্য না হয় তবে আমাদের একটা সুবিধা আছে - আপনারা সমস্তটাকে কবিকল্পনার আকাশকুসুম বলিয়া অতি সংক্ষেপেই বর্জন করিতে পারিবেন এবং আমিও ব্যর্থ কবিদের সাস্তনাস্থল "পস্টরিটি অর্থাত কোনো একটা অনির্দিষ্ট উত্তরকালের মধ্যে আমার অনাদৃত প্রস্তাবটির ভাবী সদগতি কল্পনা করিয়া আশ্বাস লা—ভের চেষ্টা করিব৷ কিন্তু ততপূর্বে আজ আপনাদের নিকট বহুল পরিমাণে ধৈর্য ও ক্ষমা সানুনয়ে প্রর্থনা করি৷
ইস্কুল বলিতে আমরা যাহা বুঝি সে একটা শিক্ষা দিবার কল৷ মাস্টার এই কারখানার একটা অংশ৷ সাড়ে দশটার সময় ঘন্টা বাজাইয়া কারখানা খোলে৷ কল চলিতে আরম্ভ হয়< মাস্টারেরও মুখ চলিতে থাকে৷ চারটের সময় কারখানা বন্ধ হয়- মাস্টার -কলও তখন মুখ বন্ধ করেন, ছাত্ররা দুর-চারপাতা কলে ছাঁটা বিদ্যা লইয়া বাড়ি ফেরে৷ তারপর পরীক্ষার সময় এই বিদ্যার যাচাই হইয়া তাহার উপরে মার্কা পড়িয়া যায়৷
কলের একটা সুবিধা, ঠিকমাপে, ঠিক ফর্মাশ-দেওয়া জিনিসটা পাওয়া যায়৷ এক কলের সঙ্গে অার এক কলের উতপন্ন সামগ্রীর বড়ো একটা তফাত থাকে না, মার্কা দিবার সুবিধা হয়৷
   কিন্তু এক মানুষের সঙ্গে অার একটা মানুষের অনেক তফাত৷ এমন কি, একই মানুষের এক দিনের সঙ্গে আর -এেক দিনের ইতর বিশেষ ঘটে৷

Comments

Popular posts from this blog

During these times, the monastery was the fact that they had just dealt with it, I will not argue

যে কালে এই সকল আশ্রম সত্য ছিল সে কালে তাহারা ঠিক কিরূপ ছিল তাহা লইয়া তর্ক করিব না, করিতে পারিব না৷ কিন্তু ইহা নিশ্চয় যে, এই সকল আশ্রমে যাঁহার বাস করিতেন তাঁহারা গৃহী ছিলেন এবং শিষ্যগণ সন্তানের মতো তাঁহাদের সেবা করিয়া তাঁহাদের নিকট হইতে বিদ্যা গ্রহণ করিতেন৷ এই ভাবটাই আমাদের দেশের টোলেও কতকটা পরিমানে চলিয়া আসিয়াছে৷

If we just understand

 অতএব আমাদের এখনকার প্রয়োজন যদি আমরা ঠিক বুঝি তবে এমন ব্যবস্থা করিতে হইবে, যাহাতে বিদ্যালয় ঘরের কাজ করিতে পারে, যাহাতে পাঠ্য বিষয়ের বিচিত্রতার সঙ্গে অধ্যাপনার সজীবতা মিশিতে পারে, যাহাতে পুঁথির শিক্ষাদান এবং হৃদয়মনকে গড়িয়া তোলা দুই ভারই বিদ্যালয় গ্রহণ করে৷ দেখিতে হইবে আমাদের দেশে বি্দ্যালয়ের সঙ্গে বিদ্যালয়ের চতুর্দিকের যে বিচ্ছেদে, এমন কি বিরোধ আছে, তাহার দ্বারা যেন ছাত্রদের মন বিক্ষিপ্ত হইয়া না যায় ও এইরূপে েবিদ্যাশিক্ষাটা যেন কেবল দিনের মধ্যে কয়েক ঘন্টা মাত্র সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র হইয়া উঠিয়া বাস্তবিকতাসম্পর্কশূন্য একটা অত্যন্ত গুরুপাক অ্যাবস্ট্রাক্ট ব্যাপার হইয়া না দাঁড়ায়৷

Representatives teacher one day tapobane

এক দিন তপোবনে ভারতবর্ষের গুরুগৃহ ছিল, এইরূপ একটা পুরাইকথা আমাদের দেশে প্রচলিত আছে৷ অবশ্য তপোবনের যে একটা পরিষ্কার ছবি আমাদের মনে আছে তাহা এবং তাহা অনেক অলৌকিতার কুহেলিকায় আচ্ছন্ন হইয়া পড়িয়াছে৷