Skip to main content

There are therefore agree with the school

    এইজন্য সেখানকার বিদ্যালয় সঙ্গে মিশিয়া আছে, তাহা সমাজের মাটি হইতেছে রস টানিতেছে এবং সমাজকে ফলদান করিতেছে৷
    কিন্তু বিদ্যালয় সেখানে চারিদিকের সমাজেরে সঙ্গে এক হইয়া মিশিতে পারে নাই - যাহা বাহির হইতে সমাজের উপরে চাপাইয়া দেওয়া তাহা শুল্ক, তাহা নির্জীব, তাহার কাছ হইতে যাহা পাই তাহা কষ্টে পাই, এবং সে বিদ্যা প্রয়োগ করিবার বেলা কোনো সুবিধা করিয়া উঠিতে পারি না৷ দশটা হইতে চারটে পর্যন্ত যাহা মুখস্থ করি, জীবনের সঙ্গে, চারি দিকের মানুষের সঙ্গে, তাহার মিল দেখিতে পাই না৷ বাড়িতে বাপ মা ভাই বন্ধুরা যাহা আলোচনা করেন বি্দ্যালয়ের শিক্ষার সঙ্গে তাহার যোগ নাই< বরঞ্চ অনেক সময়ে বিরোধ আছে৷ এমন অবস্থায় বিদ্যালয় একটা ইঞ্জিনমাত্র হইয়া থাকে৷ তাহা বস্তু জোগায় প্রাণ জোগায় না৷
এইজন্য বলিতেছি< ইউরোপে বিদ্যালয়ের অবিকল বাহ্য নকল করিলেই আমরা যে সেই জিনিস পাইব এমন নহে৷ এই নকলে সেই বেঞ্জি, সেই টেবিল, সেই প্রকার কার্যপ্রণালী সমস্তই ঠিক মিলিইয়া পাওয়া যায়, কিন্তু তাহা আমাদের পক্ষে বোঝা হইয়া উঠে৷
   পূর্বে যখন আমরা গুরুর কাছে বিদ্যা পাইতাম, শিক্ষকের কাছে নহে - মানুষের কাছে জ্ঞান চাহিতাম, কলের কাছে নয় - তখন আমাদের শিক্ষার বিষয় এত বিচিত্র ও বিস্তৃত ছিল না এবং তখন আমাদের সমাজে প্রচলিত ভাব ও মতের সঙ্গে পুঁথির শিক্ষার কোনো বিরোধ ছিল না৷ ঠিক সে দিনই  আজ ফিরাইয়া আনিবার চেষ্টা করিলে সেও একটা নকল হইবে মাত্র, তাহার বাহ্য আয়োজন বোঝা হইয়া উঠিবে, কোনো কাজেই লাগিবে না৷

Comments

Popular posts from this blog

During these times, the monastery was the fact that they had just dealt with it, I will not argue

যে কালে এই সকল আশ্রম সত্য ছিল সে কালে তাহারা ঠিক কিরূপ ছিল তাহা লইয়া তর্ক করিব না, করিতে পারিব না৷ কিন্তু ইহা নিশ্চয় যে, এই সকল আশ্রমে যাঁহার বাস করিতেন তাঁহারা গৃহী ছিলেন এবং শিষ্যগণ সন্তানের মতো তাঁহাদের সেবা করিয়া তাঁহাদের নিকট হইতে বিদ্যা গ্রহণ করিতেন৷ এই ভাবটাই আমাদের দেশের টোলেও কতকটা পরিমানে চলিয়া আসিয়াছে৷

If we just understand

 অতএব আমাদের এখনকার প্রয়োজন যদি আমরা ঠিক বুঝি তবে এমন ব্যবস্থা করিতে হইবে, যাহাতে বিদ্যালয় ঘরের কাজ করিতে পারে, যাহাতে পাঠ্য বিষয়ের বিচিত্রতার সঙ্গে অধ্যাপনার সজীবতা মিশিতে পারে, যাহাতে পুঁথির শিক্ষাদান এবং হৃদয়মনকে গড়িয়া তোলা দুই ভারই বিদ্যালয় গ্রহণ করে৷ দেখিতে হইবে আমাদের দেশে বি্দ্যালয়ের সঙ্গে বিদ্যালয়ের চতুর্দিকের যে বিচ্ছেদে, এমন কি বিরোধ আছে, তাহার দ্বারা যেন ছাত্রদের মন বিক্ষিপ্ত হইয়া না যায় ও এইরূপে েবিদ্যাশিক্ষাটা যেন কেবল দিনের মধ্যে কয়েক ঘন্টা মাত্র সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র হইয়া উঠিয়া বাস্তবিকতাসম্পর্কশূন্য একটা অত্যন্ত গুরুপাক অ্যাবস্ট্রাক্ট ব্যাপার হইয়া না দাঁড়ায়৷

Representatives teacher one day tapobane

এক দিন তপোবনে ভারতবর্ষের গুরুগৃহ ছিল, এইরূপ একটা পুরাইকথা আমাদের দেশে প্রচলিত আছে৷ অবশ্য তপোবনের যে একটা পরিষ্কার ছবি আমাদের মনে আছে তাহা এবং তাহা অনেক অলৌকিতার কুহেলিকায় আচ্ছন্ন হইয়া পড়িয়াছে৷